• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

কঙ্গোতে ২ হাসাপাতালের ১৩০ রোগীকে অপহরণ : জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ০৪ মার্চ, ২০২৫ ১২:৪০ পিএম

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমার দু’টি হাসপাতাল থেকে ১৩০ জন রোগীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডার মদতপুষ্ট বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম ২৩-এর যোদ্ধারা। সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইউএনসিএইচআরের মুখপাত্র রাভিনা শ্যামদাসানি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় শহর গোমার দু’টি হাসপাতাল থেকে ১৩০ জন রোগীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডার মদতপুষ্ট  বিদ্রোহীগোষ্ঠী এম ২৩-এর যোদ্ধারা। সোমবার জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইউএনসিএইচআরের মুখপাত্র রাভিনা শ্যামদাসানি এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে রাভিনা জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি গোমার এনডোশো এবং হিল আফ্রিকা নামের দু’টি হাসপালে হামলা চালিয়ে এনডোশো থেকে ১১৬ জন এবং হিল আফ্রিকা থেকে ১৫ জন রোগীকে অপহরণ করে নিয়ে যায় তারা। অপহরণের শিকার এই ১৩০ জনের কেউ কঙ্গোর সেনাবাহিনীর সদস্য, কেউ বা সরকারপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠী ওয়াজেলেনদোর সদস্য। তারা সবাই যুদ্ধে আহত হয়ে এ দু’টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

সোমবারের বিবৃতিতে এই অপহৃত রোগীদের ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিদ্রোহীদের উদ্দেশে জাতিসংঘের এই মুখপাত্র বলেন, “হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে শয্যা থেকে চিকিৎসাধীন রোগীদের অপহরণ এবং তাদেরকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় গোপন স্থানে রাখা খুবই পীড়াদায়ক একটি ঘটনা। আমরা সব রোগীকে মুক্তি দেওয়ার জন্য এম ২৩ বিদ্রোহীদের অনুরোধ করছি।”

এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া চেয়ে এম ২৩ বিদ্রোহীগোষ্ঠীর মুখপাত্র উইলি এনগোমা এবং লরেন্স ক্যানিউকার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, তবে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

গত জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চল দখলের অভিযানে নামে এম ২৩ বিদ্রোহীগোষ্ঠী। দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে পুরো পূর্বাঞ্চল দখল শেষে জানুয়ারির শেষ দিকে এই অঞ্চলের প্রধান শহর গোমায় প্রবেশ করে তারা।