• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

নোয়াখালীতে লঞ্চ ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

সময় ডট নিউজ ডেস্ক ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ ০৫:১৬ পিএম

নোয়াখালীতে লঞ্চ ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিএনপির দুই পক্ষ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ঘটনাস্থরে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নোয়াখালীতে লঞ্চ ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে বিএনপির দুই পক্ষ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি লঞ্চ ঘাটে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে ভর্তি আহতরা হলেন- লায়লা বেগম (৩০), কামরুল ইসলাম (৩০), আকলিমা বেগম (২৫) ও নাফিসা বেগম (২৮)। এদের মধ্যে লায়লা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক শামীম উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জেলা সদরে প্রেরণ করেন। আহত বাকীরা প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর বাড়িতে ফিরে যায়। তাদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ঘটনাস্থরে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সূত্র জানায়, তমরুদ্দি লঞ্চ ঘাটের ইজারাদার ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মাওলা কাজল। ৫ আগস্টের পর গোলাম মাওলা কাজল ঘাট থেকে পালিয়ে যায়। পরে গোলাম মাওলা কাজলের সঙ্গে সমঝোতা করে স্থানীয় আলমগীর নামে একজন তমরদ্দি ঘাটের সকল কর্মকাণ্ড দখল করে নেন। একটা সমঝোতা করে নেয়। সেই থেকে আলমগীর ঘাটের দায়িত্ব এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন। কিন্তু তমরুদ্দি ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি তানভীর হায়দার বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঘাটটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছেন।

এদিকে আজ সকালে তানভীরের অনুসারীরা ঘাটের দখল নিতে দলবল নিয়ে লঞ্চ ঘাটে যায়। এ সময় তানভীরের লোকদেরকে লঞ্চ ঘাটে থাকা লোকজন ধাওয়া করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় ঘাটের পাশে থাকা শ্রমিকদের পরিবারের নারী পুরুষ সকলে এগিয়ে আসলে সংঘর্ষে নারীরাও জড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে উপজেলা সদর থেকে পুলিশ, নৌবাহিনী ও তমরদ্দি কোস্ট গার্ড লঞ্চঘাটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।