• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

সাড়ে তিন মাসে সর্বোচ্চ লেনদেন ৬০০ কোটির উপরে

সময় ডট নিউজ ডেস্ক ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ ০৭:৪২ পিএম

দিনভর টানা উত্থানের সুবাদে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩৩ পয়েন্ট যোগ হয়েছে।

দিনভর টানা উত্থানের সুবাদে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচকে আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩৩ পয়েন্ট যোগ হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা স্টকের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ২৬৭ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট হয়েছে। আগের দিন যা ছিল ৫ হাজার ২৩৪ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট।

গত তিনদিনের ধারা বজায় রেখে এদিনও সূচকের সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।

মঙ্গলবার দিন শেষে এই বাজারে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০৭ কোটি ২০ লাখ টাকা।

সাড়ে তিন মাস পড়ে ডিএসইতে লেনেদন ছয়শ’ কোটি টাকার ঘর পার করল। এর আগে গত ৬ নভেম্বর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৬৫১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

এরপর থেকে লেনদেন কমতে থাকে মূলত সূচকের পতনের কারণে। ‘জেড’ শ্রেণি নিয়ে বিতর্ক ও কারসাজি নিয়ে তদন্তাধীন একাধিক ঘটনা পরিণতি পেলে কোটি টাকার অঙ্কের জরিমানার কবলে পড়ে কারসাজি চক্র।

এতেই বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে চলে যাওয়ায় লেনদেন কমে যেতে শুরু করে।

গতবছর ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বড় ধরনের উত্থান দেখা গিয়েছিল পুঁজিবাজারে। সেই ধারা সময়ে সময়ে কিছুটা ঢিমেতালে এগোলেও গত নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত টেকসই হয়।

গত নভেম্বর মাসের শেষদিকে পুঁজিবাজারের সূচক ও লেনদেনে ফের পতন শুরু হয়, যা চলে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত।

এরপর থেকে সূচক ধীরে ধীরে উঠতে শুরু করলেও মাঝে মাঝে বড় পতন দেখেছেন বিনিয়োগকারীরা।

সবশেষ গত চারদিন একটানা সূচক এগিয়ে যায় সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। এ সময়ে সূচক বেড়েছে মোট ৬৭ পয়েন্ট।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ১৯৬টির, কমেছে ১৫৬টির। প্রতিষ্ঠান ও ফান্ড মিলিয়ে মিলিয়ে আগের দরে লেনদেন হয় ৪৪টির।

বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংক খাত সার্বিক লেনদেনে প্রথম অবস্থানে চলে আসে। এ খাতে মোট লেনদেন হয় ৯৭ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

পরের অবস্থানে বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়ন আর প্রকৌশল খাতের শেয়ার। মুনাফায় ছিলেন আইটি ও বিমা খাতের বিনিয়োগকারীরারও।

দিন শেষে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় ডিএসইতে শেয়ার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে বসুন্ধরা পেপারমিলস, এবি ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

অন্যদিকে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় শেয়ার দর হারানোর শীর্ষে চলে আসে খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, জাহিন স্পিনিং ও নিউ লাইন ক্লোথিংস।