• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

‘বৈষম্যের শিকার’ হয়ে হাসনাত আবদুল্লাহকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

সময় ডট নিউজ ডেস্ক ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ ০৫:৪৮ পিএম

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার তিন ইউনিটের কমিটি ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ৫০ সদস্য পদত্যাগ করেছেন। একইসঙ্গে এসব কমিটি বাতিল না করা পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্য সচিব আরিফ সোহেলকে চট্টগ্রামে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার তিন ইউনিটের কমিটি ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ৫০ সদস্য পদত্যাগ করেছেন। একইসঙ্গে এসব কমিটি বাতিল না করা পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্য সচিব আরিফ সোহেলকে চট্টগ্রামে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে সংবাদ সম্মেলন করে তারা পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

গতকাল (সোমবার) দিবাগত রাত ১২টার দিকে আগামী ৬ মাসের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার কমিটির অনুমোদন দেন কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেল। ৩টি কমিটিতে মোট ৭৫৪ জনের নাম রয়েছে। কমিটি গঠনের প্রতিবাদে আজ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, ৩ কমিটির অন্তত ৫০ থেকে ১০০ জন পদত্যাগ করেছেন।

বিকেল তিনটার মধ্যে ওই তিনটি কমিটি বাতিল না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলনে। একই সঙ্গে কমিটি বাতিল না করায় সৃষ্ট পরিস্থিতির দায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্যসচিব আরিফ সোহেলকে নিতে হবে বলে জানানো হয়। বিকেলে পৌনে ৪টার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তারা লালখান বাজারে সড়ক অবরোধ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিন দফা দাবি ঘোষণা করা হয়। সেগুলো হলো আজ বিকেল তিনটার মধ্যে কমিটি বাতিল, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং কমিটিতে প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তিন দিনের মধ্যে প্রকাশ করা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন নতুন কমিটিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকা জোবায়রুল আলম, নগর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকা চৌধুরী সিয়াম ইলাহি ও সংগঠক আবু বাছির নাঈম।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কমিটিতে সম্মুখযোদ্ধাদের সুযোগ দেওয়া হয়নি। যাদের বিরুদ্ধে নারী হেনস্তা ও কিশোর গ্যাংকে সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে, তাদের নিয়ে একপক্ষীয় কমিটি দেওয়া হয়েছে। সনাতন ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। নারী সহযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে।