খুনি জিয়া স্বাধীনতা বিরোধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুনর্বাসন করেছে উল্লোখ করে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, তাদের দেশ-বিদেশের উচ্চ পদে চাকরির ব্যবস্থা করে দেয় খুনি জিয়া। কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারকে বন্ধ করে দেয়। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেয়। বহু মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে। তার মৃত্যুর পর খালেদা জিয়াও রাজাকারদের এমপি-মন্ত্রী করে একই ধারাবাহিকতা রজায় রাখে।
আজ সোমবার (০১ মে) সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্মিত "মুক্তির সংগ্রাম" ভাস্কর্যের উদ্ধোধন শেষে এক সমাবেশে এসব কথা বলেন উপমন্ত্রী।
উপমন্ত্রী বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। কিন্তু ৭১'র পরাজিত শক্তি খুনি মোস্তাক-জিয়ারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতি শুরু করে।
আজকের নতুন প্রজন্মই আগামীদিনের স্মার্ট বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে। তাদের বিশ্বমানের স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এই নতুন প্রজন্মের সৌভাগ্য তাঁরা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মতো একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নত দেশ গড়তে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পর এখন স্মার্ট বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত দেশের কাতারে যেতে চাই। শেখ হাসিনা হচ্ছেন মাদার অব হিউম্যানিটি। তাই মানুষ হত্যাকারী ও দেশের সম্পদ লুটকারী বিএনপি আর কোনো দিন ক্ষমতায় আসবে না।
সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আর সেই নির্বাচনেও এদেশের জনগণ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, দেশ বরেন্য কথা সাহিত্যিক ড. জাফর ইকবাল,"মুক্তির সংগ্রাম" ভাস্কর শিল্পী হামিদুজ্জামান খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সাবেক সচিব কবির বিন আনোয়ার।
শেষে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয় বৈঠক করেন উপমন্ত্রী। তিনি জানান, নদীভাঙন রোধে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় সিরাজগঞ্জে প্রায় ৫ হাজার ৯শ কোটির টাকার প্রকল্প চলছে। ইতিমধ্যে ২১শ কোটি টাকার প্রকল্প সম্পন্ন হয়েছে। বাকিটা অতি শীঘ্রই সম্পন্ন হবে। কাজের সকল গুনগত মান ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে। কোনো অনিয়ম ও গাফিলতি সহ্য করা হবে না।