আলেম সমাজকে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জামায়াত আমিরের
দেশকে এগিয়ে নিতে দেশের আলেম সমাজকে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
দেশকে এগিয়ে নিতে দেশের আলেম সমাজকে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমাদেরকে মাঝে মাঝে কেউ কেউ এখনো ভয় দেখায়, ধিক্কার জানায়।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।আগামী ২২ এপ্রিল এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ৫ বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সরাসরিভাবে আক্ষরিক অর্থে দেশের তিন কোটি প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ সমর্থন করে বলে জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চব্বিশের ৫ই আগস্ট পর্যন্ত যে দলের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শীর্ষ নেতাকে খুন করা হয়েছে, তার নাম হলো জামায়াতে ইসলাম।
জামায়াত নেতারা কোনও অন্যায়ের সঙ্গে আপস না করে হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কুরআন এবং সুন্নাহর ভিত্তিতে মানবিক সমাজ গঠনে দেশের সব মানুষের সহযোগিতা চাই।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ সমাবেশ চলবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
পল্টন মোড়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে ডাকা বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে। সমাবেশ ঘিরে লোকে লোকারণ্যে পরিণত হয়েছে পল্টন মোড়, বায়তুল মোকাররম, নাইটিঙ্গেল মোড়, কাকরাইল, জিরো পয়েন্ট ও প্রেসক্লাব এলাকা।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সংস্কার ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সংস্কার ছাড়া নির্বাচন করলে অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না।
কিছু ইতিহাস মানুষের জন্য হয় আনন্দের, কিছু হয় বিষাদের, আর কিছু হয় গৌরবের। বিশেষত যারা দেশের জন্য জীবন দেন, অতীতেও দিয়েছেন, ‘৪৭ সালে, ৫২’র ভাষা আন্দোলন ও ৭১-এ এবং সর্বশেষ ’২৪-এর জুলাইয়ে। তাদের ইতিহাসটা গৌরবের।