বিএনপির ৩ সংগঠনের পদযাত্রায় পুলিশের বাধা
ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির তিনটি অঙ্গ সংগঠনের যৌথ প্রতিবাদী পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি আটকে দিয়েছে পুলিশ।
ভারতীয় হাইকমিশন অভিমুখে বিএনপির তিনটি অঙ্গ সংগঠনের যৌথ প্রতিবাদী পদযাত্রা ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি আটকে দিয়েছে পুলিশ।
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল যৌথভাবে এ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে।
শুধু প্রধানমন্ত্রী বা এমপির জবাবদিহিতা নয়, জবাদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে সমাজের সব পর্যায়ে। মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান, সমাজের প্রতিনিধিত্বশীল কোনো ব্যক্তি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে নয়।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার যখন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে হাঁটছে, তখন পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছে। এই অপচেষ্টা এবং ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে।
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ শাহজাহান ওমর বীর উত্তম বলেছেন, এই দিন দিন না আরও দিন আছে। বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) বিকেলে জামিন না হওয়ার পর ঝালকাঠির আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার পথে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
চাঁদাবাজির মামলায় বিচারিক আদালতের দেওয়া সাত বছরের কারাদণ্ড থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
ত্রিপুরায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা ও ভারতের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশের পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে এসময় তিনি ভারতীয় শাড়ি রাস্তায় ছুড়ে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে দেন।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আমরা ছোট-বড় সব দেশের স্বাধীনতার মর্যাদা দেই। একইসঙ্গে আমরা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। কিন্তু ভারতের শাসকগোষ্ঠী যদি মনে করেন- বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও অন্যান্য দেশ কব্জা করে নেবেন তাহলে আপনারা ‘বোকার স্বর্গে’ বাস করছেন।
মহান বিজয় দিবসের ৫৪ বছর উপলক্ষে মহানগরী কালচারাল ফোরামের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) 'নাগরিকের ভাবনা : বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও সংস্কৃতি কোন পথে' শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও সংগঠনের উপদেষ্টা ড. আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন।
বিজেপি গোঁড়া হিন্দুত্ববাদকে পুঁজি করে ক্ষমতায় এসেছে, তাই হিংসা ছড়ানো ছাড়া তাদের ক্ষমতায় টিকে থাকার কোনো উপায় নেই। বিজেপি বিদ্বেষের নীতি নিয়ে রাজনীতি করতে চায়।