• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

আ’লীগ নেতাকে আটকের প্রতিবাদে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ১০:৪৯ এএম

  • দফায়-দফায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। সন্ধ্যায় ওই প্রবীণ নেতাকে পুলিশ ছেড়ে না দেয়ায় জামালপুর মহাসড়কে গাছের গুড়ি ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। 

      টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা বেলাল আকন্দকে পুলিশ আটক করার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।

সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে উপজেলার সাত্তারকান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকার টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কে গাছের গুড়ি ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে প্রায় দুই ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ এসে নেতাকর্মীদের আশ্বস্ত করলে তারা অবরোধ তুলে নেয়। 

সরেজমিনে দেখা গেছে, আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অবরোধে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধরা প্রতিবাদ মুখর শ্লোগান দিতে। উত্তেজিত হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। 

বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা জানান, বেলাল আকন্দ উপজেলা আ’লীগের একজন প্রবীণ নেতা (সাবেক ইউনিয়ন আ’লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য)। সে বানিয়াজানের নাথেরপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন নামের এক ছেলেকে শাসন করতে একটি চড় মারে। এ ঘটনায় আনোয়ার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনার রশীদ হীরার নির্দেশে ধনবাড়ী থানা-পুলিশ সোমবার সকালে বেলালকে আটক করে।

তারা আরও জানান, তার মুক্তির দাবিতে বিকেলে থানার সামনে বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা এক দফায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে। এনিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের দফায়-দফায় আলোচনাও হয়। কোন সুরাহ না পাওয়ায় সন্ধ্যার পর সাত্তারকান্দি বাসস্ট্যান্ডে এসে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গাছের গুড়ি ও আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক দুই ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। পরে থানা-পুলিশ এসে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে অবরোধ তুলে দেয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, ‘বেলাল আকন্দ একজন প্রবীণ নেতা। তাকে না ছাড়ায় বিক্ষুদ্ধরা অবরোধে নানা আপত্তিকর শ্লোগান দেয়া হয়। এ কর্মসূচীর নেতৃত্ব দেয় আ’লীগ নেতা স্বপন ঘোষ।’ 

কর্মসূচীর বিষয়ে স্বপন ঘোষের কাছে জানাতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সামান্য একটি বিষয় নিয়ে পুলিশ বেলাল আকন্দকে আটক করে। পরে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে।’

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনার রশীদ হীরা বিডি নিউজ বুককে বলেন, ‘বিবাদীর পক্ষের লোকজন সন্ত্রাসী প্রকৃতির। বেলাল তাকে মারপিট করে আহত করায় থানায় অভিযোগ দেয় ভুক্তভোগী। সেই অভিযোগে পুলিশ তাকে আটক করে। ওই সন্ত্রাসীরা বেলালকে থানা থেকে জোর করে ছিনিয়ে নিতে থানার সামনে অবস্থান নেয়।’ 

চেয়ারম্যান আরও বলেন,  ‘আমি আইনের বাইরে যাব না বলে জানালে স্বপন ঘোষের নেতৃত্বে এ কাণ্ড চালায়। অযথা আমাকে দোষারোপ করা হচ্ছে। বিষয়টি মন্ত্রী জানেন বলে জানান তিনি।’

ধনবাড়ী থানার ওসি এইচএম জসিম উদ্দিন বিডি নিউজ বুককে বলেন, ‘অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বেলালকে জিজ্ঞাসাবাদে থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। রাতে বানিয়াজানের ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করেছিল।’ 

Tags: