ইউক্রেনে সব ধরনের সামরিক সহায়তা স্থগিত করলেন ট্রাম্প
ইউক্রেনে সকল ধরনের সামরিক সহায়তা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা একথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে।
ইউক্রেনে সকল ধরনের সামরিক সহায়তা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা একথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে।
ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বৈঠকের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে শান্তির জন্য কারও বাধ্য করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে ক্রেমলিন।
ইউক্রেনের নিরাপত্তায় কানাডা সম্ভাব্য সব বিকল্প বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সোমবার (২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি। ইউক্রেনের নিরাপত্তায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের ‘কোয়ালিশন অব উইলিং’ ঘোষণার পর কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এ মন্তব্য এল।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যমকে বলেছেন, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে খনিজ সম্পদ চুক্তি স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত। লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
ইউক্রেন সংকট নিয়ে লন্ডনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে চারটি পদক্ষেপের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তিনি বলেন, চারটি পদক্ষেপ ইউক্রেনের পক্ষে নেওয়া হয়েছে।
ইউক্রেনকে যুক্তরাজ্যের সামরিক সহায়তা দেয়ার ঘোষণাকে রাশিয়ার জন্য ‘প্রকৃত ন্যায়বিচার’ বলে মন্তব্য করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (১ মার্চ) ডাউনিং স্ট্রিটে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠকে এই ঋণ চুক্তিতে সই করেন জেলেনস্কি।
মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট ন্যাটোর প্রধান বলেছেন, জেলেনস্কিকে অবশ্যই ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক সংশোধন করতে হবে। এমনকি ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনে কথা বলার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার লন্ডনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি দপ্তর ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে স্টারমার ইউক্রেনের প্রতি ‘পূর্ণ সমর্থন’ জানান।
হোয়াইট হাউজে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছে। কারণ প্রত্যাশিত চুক্তি ও আলোচনা শেষ না করেই জেলেনস্কি হোয়াইট হাউজ ছেড়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির বৈঠক উত্তেজনা ও বাক-বিতণ্ডায় পণ্ড হওয়ার জন্য জেলেনস্কিকেই দায়ী করেছে রাশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জেলেনস্কির কঠোর সমালোচনা করেছে।