• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

গ্লুকোমা চিকিৎসায় বিএসএমএমইউকে রোল মডেল হতে হবে : উপাচার্য

সময় ডট নিউজ ডেস্ক ১১ মার্চ, ২০২৫ ০২:৪৫ পিএম

বর্তমান সময়ে গ্লুকোমাজনিত অন্ধত্ব নীরব ঘাতকে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।মঙ্গলবার (১১ মার্চ) বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ ২০২৫ (৯-১৫ মার্চ) উপলক্ষ্যে বিএসএমএমইউর সি ব্লকে আয়োজিত র‍্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বর্তমান সময়ে গ্লুকোমাজনিত অন্ধত্ব নীরব ঘাতকে রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম।মঙ্গলবার (১১ মার্চ) বিশ্ব গ্লুকোমা সপ্তাহ ২০২৫ (৯-১৫ মার্চ) উপলক্ষ্যে বিএসএমএমইউর সি ব্লকে আয়োজিত র‍্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, বিএসএমএমইউতে গ্লকোমা রোগের চিকিৎসার জন্য গ্লুকোমা ক্লিনিক রয়েছে। এখানে চোখের রোগগুলোর সর্বাধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে চক্ষু বিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা, উন্নত চিকিৎসাসেবা ও গবেষণার ব্যবস্থা। তাই আগামী দিনে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়টিকে গ্লুকোমা চিকিৎসায় রোল মডেল হতে হবে।

ডা. শাহিনুল আলম বলেন, গ্লুকোমা চোখের এমন একটি রোগ, যাতে চোখের চাপ বেড়ে গিয়ে, চোখের পেছনের স্নায়ু অকার্যকর হয়ে ধীরে ধীরে চোখের দৃষ্টি চলে যায়। এটি বাংলাদেশ তথা পৃথিবীতে অনিবারণযোগ্য অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ। তাই নিজেকে সুরক্ষিত করতে সবার আগে গ্লুকোমা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। শুরুতেই এই রোগ চিহ্নিত করা গেলে চিকিৎসার মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। সচেতনতার মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

তিনি বলেন, বিএসএমএমইউয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খ্যাতনামা ফ্যাকাল্টিরা রয়েছেন। তাই বিএসএমএমইউকে এখন চোখের নীরব ঘাতক গ্লকোমা চিকিৎসায় রোল মডেল হতে হবে। চোখের চিকিৎসায় এভিডেন্স বেইজড মেডিসিনকে গুরুত্ব দিতে হবে, গাইডলাইন ফলো করে চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।

বিএসএমএমইউর চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএসএমএমইউ উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু নোমান মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দীন, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আব্দুল ওয়াদুদ, কমিউনিটি অফথালমোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শওকত কবীর, চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।