• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

রোজা ভেঙে ফেলা যাবে যেসব কারণে

সময় ডট নিউজ ডেস্ক ১১ মার্চ, ২০২৫ ০১:৫৯ পিএম

পবিত্র কোরআনে রমজানের রোজা সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়াম ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকি হও। (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩) কোনো বৈধ কারণ ছাড়া রোজা না রাখা বা ভেঙে ফেলা হারাম। তবে শরীয়ত কিছু বিশেষ অবস্থায় রোজা না রাখার বা ভেঙে ফেলার অনুমতি দিয়েছে, এবং পরবর্তীতে রোজা কাজা করতে হবে,

পবিত্র কোরআনে রমজানের রোজা সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,  হে মুমিনগণ! তোমাদের জন্য সিয়াম ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যেন তোমরা মুত্তাকি হও। (সূরা বাকারা, আয়াত : ১৮৩)

কোনো বৈধ কারণ ছাড়া রোজা না রাখা বা ভেঙে ফেলা হারাম। তবে শরীয়ত কিছু বিশেষ অবস্থায় রোজা না রাখার বা ভেঙে ফেলার অনুমতি দিয়েছে, এবং পরবর্তীতে রোজা কাজা করতে হবে, এমন গুলোর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো—

সফর (ভ্রমণ) 

যদি কেউ (শরয়ী) সফরে থাকে, তবে তার জন্য রোজা না রাখা বা ভেঙে ফেলা জায়েজ। পরে কাজা আদায় করতে হবে। তবে সফরে কোনো কষ্ট না হলে রোজা রাখা উত্তম।

কঠিন অসুস্থতা

যদি কেউ এমন অসুস্থ হয় যে রোজা রাখলে তার রোগ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে, কিংবা প্রাণনাশ বা কোনো অঙ্গের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে, তাহলে রোজা না রাখার অনুমতি আছে। তবে সুস্থ হওয়ার পর কাজা আদায় করতে হবে, কাফফারা দিতে হবে না। 

গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী নারী

যদি গর্ভবতী বা দুগ্ধদানকারী মা নিজের বা শিশুর জীবনের জন্য শঙ্কিত হয়, তবে রোজা না রাখা বা ভেঙে ফেলা জায়েজ। সুস্থ হওয়ার পর কাজা আদায় করা ফরজ, তবে কাফফারা লাগবে না।

চরম ক্ষুধা ও তৃষ্ণা

যদি খাওয়া ও পান না করার কারণে জীবননাশের বা মানসিক ভারসাম্য হারানোর আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলা জায়েজ। পরে কাজা আদায় করতে হবে, তবে কাফফারা নেই।

জীবননাশ বা মানসিক ভারসাম্য হারানোর আশঙ্কা

যদি কোনো সাপ বা বিষাক্ত প্রাণী কামড় দেয় বা অন্য কোনো কারণে জীবননাশ বা পাগল হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলা জায়েজ। পরে কাজা আদায় করতে হবে, তবে কাফফারা লাগবে না।

জিহাদ

যদি কোনো মুজাহিদ নিশ্চিত জানে যে সে যুদ্ধ করবে এবং যুদ্ধের সময় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে, তাহলে তার জন্য রোজা ভাঙা জায়েজ। পরে কাজা আদায় করতে হবে, তবে কাফফারা নেই।

জোরপূর্বক খাওয়ানো (ইকরাহ)

যদি কাউকে জোর করে রোজা ভাঙতে বাধ্য করা হয় এবং না খেলে প্রাণনাশ, অঙ্গহানি বা প্রচণ্ড শারীরিক নির্যাতনের আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলা জায়েজ। তবে যদি সে ধৈর্য ধারণ করে, তাহলে আল্লাহর কাছে প্রতিদান পাবে।

Tags:   ইসলাম