ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে ঝুলিয়েছেন তালা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার কথা জানান শিক্ষার্থীরা।
৬ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবারও (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্বার বাংলায় বিক্ষোভ ও সন্ত্রাসীদের লাল কার্ড প্রদর্শন করছেন।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, শিক্ষার্থীদের চারটি দাবি মেনে নেয়া হয়েছে। বুধবার চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেট সভায় শিক্ষার্থীদের সব দাবি নিয়েই আলোচনা হয়। সভায় তাদের সব দাবি মেনে নেয়া হলেও ভিসিসহ কয়েকজনের পদত্যাগের দাবিটি নাকোচ হয়।’
সভায় ক্যাম্পাসে সবধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোরতার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে তাকে বহিষ্কার ও চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান ড. মুহাম্মদ মাছুদ।
এর আগে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সংঘর্ষে আহত হন অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী। আহতদের কুয়েটের মেডিকেল সেন্টারসহ আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।
খান জাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, কুয়েটে ছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।