ক্যারিবিয়ান পেসার জেইডেন সিলস ও বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদ দুজনেই পুরো সিরিজেই ব্যাটারদের নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছেন। ম্যান অব দা সিরিজের স্বীকৃতি দেওয়া হলো যৌথভাবে দুজনকেই। তবে জেডেন সিলস সৌজন্য দেখিয়ে তাসকিন আহমেদকে ট্রফি দিয়ে দিলেন।
পুরো সিরিজেই দারুন বোলিং করেছেন তাসকিন। ওয়েস্ট ইন্ডিজে প্রথম টেস্টে দল হারলেও তিনিই নিয়েছেন সবচেয়ে বেশি উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নেন ছয় উইকেট। জ্যামাইকায় দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে তাইজুল ইসলাম পাঁচ উইকেট নিলেও তাসকিন দলের জয়ে অবদান রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নিয়েছেন দুই উইকেট। দুই টেস্টে মোট ১১ উইকেট শিকার করে তাই হয়েছেন সিরিজ সেরা।
বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে আগে দুই দফায় সিরিজ-সেরা হয়েছেন তিনি। ওয়ানডেতেও হয়েছেন একবার। কিন্তু টেষ্টে এবারই প্রথম সিরিজসেরা হলেন এই ডানহাতি পেসার। তাই তার উচ্ছ্বাসও ছিলো একটু বেশি।
আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে বললেন, সামনে আরও দারুণ অনেক কিছু পাওয়া যাবে তার কাছ থেকে।
“দুটি ম্যাচেই আমি আমার সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছি এবং আল্লাহ তায়ালা আমাকে এই পুরস্কার দিয়েছেন ম্যান অব দা সিরিজ হিসেবে।”
আশা করি, মেনি মোর টু কাম…। কাঁধের সমস্যা কাটিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরার অনেক চেষ্টা করছিলাম। এখন আগের চেয়ে ভালো আছে (অবস্থা)। আশা করছি এমন আরও অর্জন হবে সামনে।
“আমি খুবই খুশি। যদিও কাজটা সহজ ছিল না। কাঁধের অবস্থা বাজে ছিল। স্রষ্টার কৃপায় এখন টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে আসছি। অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। সেটি এখন ফলপ্রসূ হতে শুরু করেছে। আশা করি, মেনি মোর টু কাম।”
প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে বিধ্বংসী বোলিং এ ছয় উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথমবার পেলেন ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ। ম্যাচে পান আট উইকেট। জ্যামাইকায় এত উইকেট পাননি। তবে তিনটি উইকেট নিয়ে দলের দারুণ জয়ে ভূমিকা রাখেন ঠিকই। সঙ্গে প্রাপ্তি সিরিজ সেরার পুরস্কার।
পিছিয়ে পড়েও বাংলাদেশের সিরিজ ড্র করতে পারা এবং সেখানে সিরিজ-সেরা হয়ে তাসকিনের খুশি ছুঁতে চাইল আকাশ।
এটা অনেক বড় অর্জন। আমরা টেস্ট সিরিজ ড্র করলাম। ওদের কন্ডিশনে অনেক বড় বড় দল ভোগান্তিতে পড়ে। আমরা একটু কঠিন সময় পার করছিলাম। পাকিস্তানে সিরিজ জয়ের পর কয়েকটি সিরিজ হেরে যাওয়াতে আমরা মানসিকভাবে দমে গিয়েছিলাম। তবে শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।