• সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬
logo

প্রতিবন্ধী দিবসে ধানমন্ডিতে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত

টিএন২৪ প্রতিবেদক ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ১০:৩১ এএম

প্রতিপক্ষ দলে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সাবেক অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর বেলিম, হান্নান সরকার, আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল ও নারী ক্রিকেট দলের সালমা খাতুন।

আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) হুইলচেয়ারে সহমর্মিতা’ শীর্ষক একটি বিশেষ ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করে। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) ঢাকার ধানমন্ডি ৪ ক্রিকেট মাঠে এই প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়।

অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত হয় প্রীতি ম্যাচ। এই ম্যাচটি ঘিরে একঝাঁক তারকা ক্রিকেটারদের মেলবন্ধন ঘটে। 

প্রীতি এই ম্যাচে বাংলাদেশ হুইলচেয়ার ক্রিকেট দলের নেতৃত্ব দেন মোহাম্মদ মহসিন। প্রতিপক্ষ দলে ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সাবেক অধিনায়ক শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর বেলিম, হান্নান সরকার, আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল ও নারী ক্রিকেট দলের সালমা খাতুন। ম্যাচে অংশগ্রহণ করা সকলেই হুইলচেয়ারে বসে খেলেছেন।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘ইউএনডিপিকে ধন্যবাদ এরকম উদ্যোগ নেয়ার জন্য। মাঠে হুইলচেয়ার ক্রিকেটারদের দক্ষতা এবং খেলার প্রতি ভালবাসা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি নিজে হুইলচেয়ারে বসে খেলে দেখেছি। তারা শারীরিক সীমাবদ্ধতাকে জয় করে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের সবার উচিত নিজেদের অবস্থান থেকে তাদের সমর্থন করা।’

ধানমন্ডি ৪ নম্বর মাঠে আরও ছিলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশে নিযুক্ত দূত মাইকেল মিলার, বাংলাদেশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার, ঢাকার অস্ট্রেলীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি অ্যানা পিটারসেন ও মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত তথ্য কর্মকর্তা আশা বে। তারাও সকলে হুইলচেয়ারে বসে ক্রিকেট খেলার এই উদ্যোগের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

স্টেফান লিলার এই আয়োজন নিয়ে বলেন, ‘কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি। আমরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়ন, উন্নয়ন ও সংকট মোকাবিলায় তাদের সম্পৃক্ততাকে অগ্রাধিকার দিই এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাই। এই বিশেষ ইভেন্টটি প্রতিবন্ধী অন্তর্ভূক্তিকে মুলধারায় আনতে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’